Know More About Birds

  • Home
  • Know More About Birds

African Grey Parrot

  • English
  • Bengali

Description: African grey parrot is very beautiful and intelligent. The bird is native to Congo, Angola, Cameroon in Central Africa and Ghana, Kenya, Uganda in East Africa. African grey parrot is medium sized. It's weight is 420-525gm and length is 12-13inch. The species found in Congo is light grey in colour and the upper part of the head and wings are dark grey. The tips of the feathers on the head and body are slight whitish, tail feathers are red and beak is black.
The body of the Timneh parrot is dark grey and tail is dark maroon. Some parts of the lips are pink. Pale yellow eyes. Chick's colour like adults, only eye colour is from grey to black, where eye colour of older birds is greyish yellow. 
Among the birds they have the ability to mimic human voices. They can learn and remember 100 to 200 words.

Ways to recognize male and female: Both males and females have grey body and bright red tail. The male bird is slightly larger in size and the beak is also larger. It has featherless part around the eyes. In the case of male birds the back is a little longer and female has round shaped. The birds that are brought from Africa are mostly females.

Food of grey parrot: The whole food of African grey parrots is a mixture of seeds, grains etc. Nutri berries of Lafebe company is a whole food. Also soaked gram, herbal grain, soft ripe fruits, solid seeds etc. It is very good to give them vegetables and carrots as a green food. Adding green vegetables, sweet potatoes etc makes up for the vitamins. 

Reproduction: They nest in tree hollows. Nesting in that tree, the female bird lays 3-5eggs and the female sit upon the eggs to hatch them. At this time the male birds provide food for the female birds. The baby hatches in 22 to 30 days and leaves home at the age of 84 days. Both male and female take responsibilities of feeding and takes care of upbringing unless they are independent. In captivity, they need cage and nest just like cockatoos.

Health and physical conditions: African grey parrot suffers from feather plucking, calcium deficiency, deficiency of vitamin A and vitamin D. There is a possibility of infection from breathing problem, feather plucking and psittacosis.

বর্ণনা: আফ্রিকান গ্রে প্যারট চমৎকার সুন্দর ও খুব বুদ্ধিমান পাখি। মধ্য আফ্রিকার কঙ্গো, অ্যাঙ্গোলা, ক্যামেরুন এবং পূর্ব আফ্রিকার ঘানা, কেনিয়া ও উগান্ডা এদের বাসভূমি। আফ্রিকান গ্রে প্যারট মাঝারি আকারের; ৪২০ - ৫২৫ গ্রাম ওজনের, লম্বায় ১২-১৩ ইঞ্চি হয়। কঙ্গোতে যে জাতটি পাওয়া যায় তা হালকা ধূসর রংয়ের, মাথার উপরের অংশ ও ডানা কালচে ধূসর রঙের। মাথা ও দেহের পালকের ডগা সাদাটে, লেজের পালক লাল ও ঠোঁট কালো। আবার টিমনে জাতটির দেহ ঘন ধূসর ও লেজ ঘন মেরুন রংয়ের। ঠোঁটের কিছুটা অংশের রঙ গোলাপী। বাচ্চার রং বড়দের মতই, কেবল চোখের রং ঘন ধূসর থেকে কালো, যেখানে বয়স্ক পাখির চোখের রং ধূসর হলুদ।
পাখিদের মধ্যে এদের মানুষের স্বর ও কথা হুবহু নকল করার ক্ষমতা আছে। প্রায় ১০০-২০০ শব্দ শিখতে ও মনে রাখতে পারে।

স্ত্রী ও পুরুষ চেনার উপায়: স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের গায়ের রং ধূসর ও লেজ টকটকে লাল। আকারে পুরুষ পাখিটি সামান্য একটু বড় হয়। ঠোঁটটিও তার আয়তনে বড়। চোখের চারপাশের অঞ্চলে পালকহীন অংশ থাকে। পুরুষ পাখির ক্ষেত্রে পেছনের দিকটা একটু লম্বাটে ও স্ত্রী পাখির ক্ষেত্রে গোলাকার। আফ্রিকা থেকে যে পাখি গুলো নিয়ে আসা হয় সেগুলি বেশিরভাগই স্ত্রী পাখি হয়। 

গ্রে প্যারট -এর খাবার: আফ্রিকান গ্রে প্যারট -এর সম্পূর্ণ খাবার হল বিভিন্ন শস্যদানা বীজ ইত্যাদির মিশ্রন। Lafebe কোম্পানির নিউট্রি বেরিজ (nutri berries) হল একটি সম্পূর্ণ খাবার। এছাড়াও ভেজানো ছোলা, পাকা নরম ফল, শক্ত বীজ ইত্যাদি। সবুজ খাবার হিসেবে শাকপাতা, গাজর দিতে পারলে খুব ভালো হয়। সবুজ শাকসবজি, মিষ্টি আলু ইত্যাদি দিলে ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়। 

প্রজনন: এরা গাছের কোটরে বাসা বাঁধে। সেই বাসায় স্ত্রী পাখি ৩-৫টি ডিম পাড়ে এবং স্ত্রী পাখি ডিমে তা দেয়। এই সময় পুরুষ পাখি স্ত্রী পাখির খাদ্য যোগান দেয়। ২২-৩০ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয় এবং ৮৪ দিন বয়সে বাচ্চা বাসা ছাড়ে। স্ত্রী ও পুরুষ উভয়েই খাওয়ানো ও লালন-পালনের দায়িত্ব নেয় যতদিন না তারা স্বাবলম্বী হয়। বন্দী অবস্খাতেই এদের খাঁচার এবং বাসার প্রয়োজন হয় কাকাতুয়ার মতই। 

স্বাস্থ্য ও শারীরিক শর্তাবলী: আফ্রিকান গ্রে প্যারট সাধারণ পালক ওঠা, ক্যালসিয়ামের অভাব, ভিটামিন A ও ভিটামিন D -এর অভাবে ভুগতে থাকে। শ্বাসকষ্ট, সিটাকসিস এবং পালকের রোগের থেকে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Amazon Parrot

  • English
  • Bengali

Description: There are 30 species of Amazon parrot. They are medium-sized parrot and found in North America, Mexico and Caribbean Island. For its ability to mimic human speech and sound people make them companions and so much demand has pushed these birds to the brink of extinction. 

Nature and identity: They are varied in different colors and shades. The like to play. They continually go down from top to bottom conversely and can also cut wooden toys. Like to sing and listen to songs. Excessive play with them make them annoyed which is understandable in their behavior. Signs of these annoying or agitated behavior must be understandable by the bird keeper or bird lover. In this time erect neck and head feathers, spreading the tail, an annoying feeling or symptom has been seen in the eyes. Whenever they have facing such situations, they have to calm down; if not they can bite. They loves to bathe and often seen jumping into the water. So that they must have a big enough cage and inside that toys, artificial plants, rope, pot for bath water should be kept. 

Species: Yellow headed Amazon (Amazona oratrix), Yellow naped Amazon (Amazona auropalliata),  Blue fronted Amazon (Amazona aestiva) etc species are very popular with bird keepers. They usually live about 50 years. 

Food: They usually eat several grains, nuts, green vegetables etc. 20-25% green leaves, vegetables or fruits are delicious for them. Spinach, lettuce, apple, guava, pears, carrot, orange etc and barley, buckwheat, baby corn, wheat etc and peas, soaked grams, nuts have to give them accordingly. 

Chicks of Amazon parrot is of ideas grey and brown coloured. Within 2-3years it transformed into red, orange, dark brown. In 4-5years they able to breed. It is impossible to differentiate between their sexes.

বর্ণনা: আমাজন প্যারট -এর ৩০ টি প্রজাতি আছে। এরা মাঝারি আকারের টিয়া। দক্ষিণ আমেরিকা, মেক্সিকো এবং ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে এদের দেখা যায়। মানুষের কথা এবং বিভিন্ন আওয়াজ নকল করার ক্ষমতার জন্য মানুষ এদের সঙ্গী বানায় এবং এত বেশি চাহিদা এই পাখিদের প্রায় অবলুপ্তির পথে ঠেলে দিয়েছে। 

প্রকৃতি ও পরিচয়: এরা বিভিন্ন রং ও বর্ণে বৈচিত্র্যময়। এরা খেলতে ভালবাসে। ক্রমাগত খাঁচার মধ্যে উপর থেকে নিচে উল্টো হয়ে নামতে থাকে এবং কাঠের খেলনাও কেটে ফেলতে পারে। এরা গান শুনতে ও গাইতে ভালোবাসে। এদের সঙ্গে অতিরিক্ত খেলার ফলে এরা বিরক্ত হয়ে পড়ে যা তাদের আচরণে বোঝা যায়। এই বিরক্ত বা উত্তেজিত হওয়ার লক্ষণগুলি পাখি প্রতিপালক বা পাখিপ্রেমীদের অবশ্যই বুঝতে হবে। এই সময় আমাজন প্যারট -এর মাথা ও গলার পালক খাড়া হওয়া, লেজ ছড়িয়ে দেওয়া, চোখের মধ্যে এক বিরক্তিকর ভাব বা উত্তেজনার লক্ষণ দেখা যায়। যখনই এরকম অবস্থার সম্মুখীন হতে হয় তখনই আগে তাদের শান্ত করতে হবে, না হলে কামড়ে দিতেও পারে। স্নান করতে খুব ভালবাসে এবং প্রায়ই জলের পাত্রে ঝাঁপ দিতে দেখা যায়। এই কারণে আমাজন প্যারট এর জন্য যথেষ্ট বড় খাঁচা দিতে হবে এবং তাতে খেলনা, দোলনা, কৃত্রিম গাছ, দড়ি, স্নানের জলের পাত্র ইত্যাদি দিতে হবে।

প্রজাতি: ইয়োলো হেডেড অ্যামাজন (Amazona oratrix) ইয়োলো নেপড অ্যামাজন (Amazona auropalliata) ব্লুফ্রন্টেড অ্যামাজন (Amazona aestiva) প্রভৃতি প্রজাতি পাখি পালকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। এরা সাধারণত ৫০ বছর বাঁচে।

খাদ্য: প্রকৃতিতে এরা নানারকম দানাশস্য, ফল, বাদাম, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি খায়। শতকরা ২০-২৫ ভাগ ঘন সবুজ পাতা, সবজি বা ফল এদের কাছে উপাদেয়। পালং শাক, লেটুস শাক, আপেল, পেয়ারা, নাসপাতি, গাজর, কামলালেবু ইত্যাদি ফল, যব, বাজরা, কচি ভুট্টা, গম ইত্যাদি শস্য ও মটরশুঁটি, ভেজা ছোলা, বাদাম ইত্যাদি পরিমাণ মতো দিতে হবে। সঙ্গে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণের জন্য সমুদ্রের ফেনা দিতে হবে। 

বাচ্চা আমাজন প্যারট আইরিশ ধূসর বা বাদামি রংয়ের হয়। ২-৩ বছরের মধ্যে তা লাল, কমলা, ঘন বাদামি রং -এ রূপান্তরিত হয়। প্রজনন এর উপযুক্ত হয় ৪-৫ বছর বয়সে। এদের লিঙ্গ ভেদ করা অসম্ভব।

Aviary and Bird room

  • English
  • Bengali

Aviary and Bird room

There are a lot of disagreement about Aviary and bird room. That's why we saw misuse of these two words. The lexical meaning of Aviary is "where birds are kept". A place to keep birds means a cage. That cage should be 9ft long, 3ft wide and 7ft height. They are one or more pairs of birds live together in contact with nature. That is not under the open sky (where they have to face extreme sunlight and rain not in that place). There are are comfortable and convenient arrangements in that cage. In the Aviary there should keep that kind of birds who can easily adapt to nature. Like cockatoos, love birds, badri etc. Finches can be kept. These birds are so small that too much wind in their cages make them in trouble. There must be small stays inside and outside the cages to protect them from extreme sunlight. Those who keep birds as a hobby Aviary is the best option for them. Those who keep birds for business perspective Aviary is not convenient for them. Because badri, java these birds can reproduce many pairs at once, this is called the colony breed. But many birds like finch, love bird, cockatoos are not ideal for colony breed. Breeding by keeping each pair in separate cages is beneficial. 

          Bird room means a simple house where caged birds are kept. It can be a big cage or a small one. However there is no connection between nature and this kind of cages. Aviary must have a path to blow out inside polluted air and fresh air from outside can enter. Electric light is used due to the lack of sunlight. If there is no sunlight then the germs can be killed by various food and medicines. There is another type of bird room that is closed bird room which is totally disconnected from the nature. Birds are kept there in a scientific manner. The birds are well bred. There is a path to blow out the polluted air from the closed room. Oxygenator is used to supply fresh air that means oxygen rich air. Humidity is required for every animal. So a machine called humidifier is needed to supply humidity. To prevent any kind of germs from appearing in the closed room ionizer is used. 

       In our country the birds are kept at the terrace. Putting nets on the windows and doors of that house bird room can be formed. But one thing to keep in mind that height of the room must be 9-10ft. Otherwise it will be very hot in summer. Doors and windows of that room need to be small. Because of the north cold wind in winter or storms cause discomfort to birds. If there is a space in the roof or infront of the house there can be made a birdroom with wood and iron material. This kind of house can be made by bricks or can be enclosed by net. The roof of the birdroom can be covered by asbestos, tin etc. Asbestos got very hot in summer. False ceiling can made at very low cost by fitting thick thermocol with 12gauge wire by 1ft (12 inch) below of the inner roof of the house. Some transparent fiber sheet should be applied in all areas except the roof of the room. By this procedure, all the cages of that room will get equal light at any position of sun. In the bird room where sunlight cannot reach fluorescent lights or power saver should be installed there to made like daylight and with that by giving them balanced diet and medicines badri, java, finch, cockatoos lives well and can reproduce. 

Aviary or Big Cage

Big cage is called Aviary. It can be indoor or outdoor. But it's main purpose is that in the artificial cage the birds can get all natural facilities. Birds in the Aviary can also get chance to fly and exercise. For this they may get some natural food. The birds those are wild and timid are much more comfortable in Aviaries. It should keep in mind when making Aviary that coexistence of food and eater is not desirable at all. It should be noted that the birds who are ferocious in nature should kept with proper neighbor. For this reason it is necessary to know whether coexistence of more than one species is possible or not. There are some birds who cannot tolerate another same-sex bird of their own species, quite sensitive to another birds. Such birds are swan, pheasant etc. If parrot, finch are kept in big cages they cause damage by tearing the leaves of most trees. For these reasons there is often a need to change the trees. After a long period of use, the leaves off the tree and soil are contaminated with bird droppings. At that time the Aviary should be rested. By adding boiled lime powder and mixing it well the acidity of the soil is cut off. Aesthetic beauty is a major factor in making Aviaries. Selecting and planting plants that create a natural environment for Aviary is very important. Pensioners and thorny plants should be avoided.  

Accessories of Aviary and Cage

Rod: Caged birds need rod to sit. There must be two rods inside the cage that the bird can go for one rod to another and sit. A rod is an object like stick. Rod should never be shaky. The two rods should kept in such a way that it should not make any difficulties for the birds to fly through the middle part. One more word should be at in the context that if the rod is shaky is a possibility of laying unfertilized eggs. Rod is especially helpful for bird's finger exercise. Rod should be a little bit thicker than the bird fist and another should be at the size of bird fist. That means narrow. Two rods should never be placed at same height. It should be placed a little up and down. Hard sticks are most suitable for making rod. Many use plastic or metal rod, which should not be used at all. This type of rod gets very hot in summer and birds with curved lips may cut plastic rods and it may cause poisoning in their body. It is best to use tree branches as rod. Like neem, guava branches can use as rod. It is necessary to clean the branches with a mixture of Dettol and water to disinfect it. The circumference must be round. But it's skin should be uneven and rough. Therefore, due to it's friction the growth and decay of bird's nails are maintained naturally. Hence it is ideal to use the branches with bark as rod. It should be monitored that no cracks should be kept in the rod if there is any crack it is a shelter of parasite. Each rod in the cage should be kept in parallel with the floor. There should be more than two rods at different heights. The rod should kept towards the breadth off the cage. Like is the measurement of the cage is 28" (length) × 18" (breadth) × 18" (height) then the robot should be placed towards the 18" (breadth).

Measurement of Rod 

Bird                            Diameter

Cockatoos, love birds         1 inch (2.5cm)

Finch, Bengali Java,        1/2 inch         Badri                       (1.25cm)

Structure of Outdoor Aviary

To farm outdoor Aviary we need to choose a place where the Aviary can get sunlight at least some time of the day. But shade is necessary to get rid of intense sunlight and heat. With the help of crippers or shady trees reduction of the intensity of sunlight can be made. The fact is that a portion should always be shaded so that the birds can use it as needed. Generally 1/3rd portion of Aviary is surrounded by net. This portion is used for birds to fly. For that reason it is called flight. Another 1/3rd portion must be covered with light resistant things by three sides and the roof also to maintain the safety of the birds. It is used to make nests and sleep at night. This portion is called shelter. This portion is very significant because the number of birds of Aviary are controlled in proportion to the size of the shelter. 

       There should be a flight at the entrance of the Aviary. The room can be surrounded by net so that the birds could not fly away. Closing the door by entering the room birds are not likely to fly. 

      There should be a brick masonry or wood wall for the shelter. It is good if it is not made up with metal. Because it can be hot in the sun. The birds get shelter to survive the severity of the weather. So that food and water for birds should be kept here. It is not advisable to have a mesh gap of more than 1/2 inch in the flight part. Because in greed for various food rats can get in and kill the birds. Eggs and chicks are thir first hunt. Measures should be taken to prevent rats and other small animals like snake, mongoose etc. A hard wire mesh around the Aviary should be buried under the ground and the another half should be extended towards the ground. In the Aviary rust the net must be prevented from rust. By making Aviary with brick and concrete that masonry also needs to be raised a little under the ground like a net. 

     To prevent enemy of birds like cats, sour etc animals the roof should be surrounded by a nylon mesh cover with a slight extension on the outside. It is not possible on shaky ground. When birds like dove or pheasant were frightened then they usually flies straight up. The roof of the flight part is made up of net so, they try to fly through that part; as a result, the chances of death due to head injury are high. So, to prevent this kind of accident putting a nylon mesh can placed under a few inches below the flight portion. 

         The birds prefer the highest point of Aviary to take rest at night. So that, the roof of the Aviary must be higher than the rest. Only then the birds feel comfortable spending the night in the shelter. In addition, by keeping many small rods instead of a long rod the competition can be reduced. Because private areas will be limited. 

       Is better to keep shrubs in the flight part. Weak birds can get shelter there to survive from the attack of the strong birds. Birds can even use that part as a nest. Some parts of the flight floor should be covered with grass. Then the birds can get a chance to eat raw grass seed regularly. Most of the birds love to bathe in the dew drenched grass. 

         To keep big birds like parakeet or any other fierce temperamental birds in the Aviary, the mesh partition should be doubled. Otherwise they can bite and can cut off the finger of the neighbouring birds sitting on the same partition. Outdoor Aviary model can be hexagon or octagon. This type of Aviary enhances the beauty of the garden. The Aviary can be made by 6 to 8 mesh partitions along with each angle from the centre. Uses an Aviary as an entrance, shelter have to be made separately in the centre.   

Indoor Aviary

Indore Aviary can be made in small area and little capital. Roof is ideal for indoor Aviary. Those who have the opportunity to use roof can make Aviary through proper arrangements at low cost. Those who don't have enough space at roof they can make Aviary in porch or a open space. But to prevent the cold north wind or storm transparent plastic or glass window should be used. If it is impossible to get enough light then under artificial light birds also be kept. 

      It is popular model of Aviary is to surround 2 or 3 sides by walls and the rest part by net. The roof must be covered. It is ideal to cover the corners and other parts by shrubs and bushes. But throns or cactus should not be used in the Aviary. Some open space must be kept. Sand, grass, some stones and water reservoir should be kept there. Another thing to keep in mind while creating this kind of Aviary is that birds cannot tolerate smoke so, there must not be kitchen or any kind of smoke creating place.



পক্ষীশালা এবং পাখির ঘর

Aviary এবং bird room  নিয়ে অনেকের দ্বিমত আছে, যে কারণে শব্দ-দু'টির ভুল প্রয়োগ দেখা যায়। Aviary -র আভিধানিক  অর্থ হল পক্ষীশালা, অর্থাৎ যেখানে পাখি রাখা হয়। 'পাখি রাখার স্থান' -এর আসল মানে হল একটি খাঁচা। যে খাঁচা ৯ ফুট লম্বা ও ৩ ফুট চওড়া এবং উচ্চতা ৭ ফুট। সেখানে এক বা একাধিক জোড়া পাখি প্রকৃতির সঙ্গে যোগাযোগ বহন করে একসঙ্গে থাকে; তা বলে খোলা আকাশের নিচে নয় (যেখানে সূর্যের তাপ বা বৃষ্টি গায়ে এসে পড়ে সেখানে নয়)। আরামদায়ক ও সুবিধাজনক ব্যবস্থা থাকে এই খাঁচাতে। পক্ষীশালায় সেই ধরনের পাখি রাখা উচিত যারা প্রকৃতির সঙ্গে সহজে মানিয়ে নিতে পারে। যেমন কাকাতুয়া, লাভবার্ড, বদ্রি ইত্যাদি। ফিঞ্চ জাতীয় পাখি রাখা যেতে পারে। এই পাখি আকারে ছোট বলে বেশি বাতাস তাদের কক্ষে অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আবার বাইরে ও পক্ষীশালার ভেতরে ছোট ছোট গাছ লাগিয়ে রাখতে হয় রোদের হাত থেকে বাঁচার জন্য। যারা শখে পাখি পোষেন তাদের জন্য aviary সবচেয়ে উত্তম। যারা ব্যবসার জন্য পাখি পোষেন তাদের ক্ষেত্রে aviary সুবিধাজনক হবে না। কারণ বদ্রি, জাভা ইত্যাদি পাখি একসঙ্গে অনেক জোড়া প্রজনন করতে পারে, এদের colony breed বলা হয়। কিন্তু অন্যান্য পাখি- যেমন লাভ বার্ড, কাকাতুয়া, ফিঞ্চ ইত্যাদি colony breed -এর পক্ষে আদর্শ নয়। প্রত্যেক জোড়াকে আলাদা খাঁচায় রেখে প্রজনন করালে ব্যাবসায়িক দিক থেকে সুবিধা পাওয়া যায়। 

       Bird room বা পাখির ঘর বলতে বোঝায় একটি সাধারন ঘর যার ভেতর খাঁচার পাখি রাখা আছে। তা বড় খাঁচাও হতে পারে আবার ছোট খাঁচাও হতে পারে। তবে এই ধরনের খাঁচার সাথে প্রকৃতির কোন যোগ থাকে না। পাখির ঘর এমন হওয়া দরকার যাতে সময় মতো ভেতরের দূষিত বাতাস বেরিয়ে গিয়ে বাইরের পরিষ্কার বাতাস প্রবেশ করতে পারে। সূর্যের আলোর অপ্রতুলতার কারণে বৈদ্যুতিক আলো ব্যবহার করা হয়। তবে সূর্যের আলো না থাকলেও নানা ধরনের খাবার ও ঔষধ দিয়ে রোগ-জীবাণুকে অতি সহজেই বিতাড়িত করা যায়‌। Bird room -এর আরো একটি ধরন হলো বন্ধ পাখির ঘর (closed bird room) যা প্রকৃতির থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন। সম্পূর্ণ বদ্ধ ঘরে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ঐ ঘরে পাখি রাখা হয়। পাখিকে সুন্দরভাবে প্রজনন করানো হয়। বদ্ধ ঘরে অশুদ্ধ বাতাস বেরিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা থাকে। শুদ্ধ বাতাস অর্থাৎ অক্সিজেনসমৃদ্ধ বাতাস জোগান দেওয়ার জন্য oxygenator নামক একটি যন্ত্র ব্যবহার করা যায়। আর্দ্রতা যে কোন প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য আবশ্যক। তাই আদ্রতা রাখার জন্য humidifier নামক আরো একটি যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। বন্ধ ঘরে যেন কোনো রকমের জীবাণুর আবির্ভাব না ঘটে সে কারণে ionizer নামক যন্ত্রটি বসাতে হয়।

         আমাদের দেশে পাখি পোষা হয় বাড়ির ছাদে। সেই ঘরের জানালা এবং দরজায় জাল লাগিয়ে bird room বানিয়ে নেওয়া যেতে পারে। তবে একটা কথা মাথায় রাখতে হবে যে ঘরের উচ্চতা কমপক্ষে ৯-১০ ফুট হওয়া দরকার। তা না হলে গরমকালে ঘর খুব গরম হয়ে যাবে। ঘরের জানালা ছোট হওয়া দরকার এবং দরজা ছোট করে নেওয়া ভালো। কারণ শীতকালের উত্তুরে ঠান্ডা হাওয়া, বেশি ঝড়ো বাতাস পাখির অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আবার ছাদে, বাড়ির সামনে বা পিছনে জায়গা থাকলে কাঠ ও লোহার কাঠামো বানিয়ে boardroom বানানো যায়। এই ধরনের ঘর ইট দিয়ে পাঁচিল বানিয়ে সাধারণভাবে তৈরি করা যায় বা চারদিকে জাল দিয়ে ঘিরে দেওয়া যেতে পারে। 

           পাখির ঘরের ছাদে টালি, অ্যাসবেস্টস, টিন ইত্যাদি আচ্ছাদন হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। গ্রীষ্মকালে আসবেষ্টস খুব গরম হয়ে যায়। ঘরের ভেতরে ছাদের ১ ফুট (১২ ইঞ্চি) নিচ দিয়ে ১২ গেজের তার দিয়ে তাতে ১/২ ইঞ্চি মোটা থার্মোকল লাগিয়ে নিলে কম খরচে false ceiling বানিয়ে নেওয়া যায়। 

      ঘরের ছাদ ঢালাই ছাড়া সব ক্ষেত্রেই ঘরের আয়তন অনুযায়ী কিছু transparent fibre sheet লাগানো উচিত। তাতে সূর্যের যে কোন অবস্থানে ঘরের সব খাঁচা সমান আলো পাবে। 

       Bird room -এ যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না সেখানে fluorescent tube বা power saver লাগিয়ে দিনের আলোর মতো ব্যবস্থা রাখা দরকার এবং তার সঙ্গে সুষম খাদ্য ও কিছু ঔষধ ব্যবহার করলে বদ্রি, জাভা, ফিঞ্চ গোত্রীয়, কাকাতুয়া বেশ ভালোভাবে থাকে এবং প্রজনন করে। 

এভিয়ারি (Aviary) বা বড় খাঁচা 

খুব বড় খাঁচাই হলো এভিয়ারি। এটি ইনডোর অথবা আউটডোর দুরকমই হতে পারে। তবে এর একটি মূল উদ্দেশ্য হলো কৃত্রিমভাবে তৈরি প্রাকৃতিক পরিবেশের সমস্ত সুযোগ সুবিধা যেন পাখিরা এর মধ্যেই পায়। এছাড়াও এভিয়ারির পাখিরা ওড়া ও ব্যায়ামের সুযোগ পায়। এর জন্য কিছু কিছু প্রাকৃতিক খাদ্যও জুটে যেতে পারে। আর যেসব পাখিগুলি বন্য ও ভীরু প্রকৃতির হয় তারা এভিয়ারিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে অনেক বেশি। 

       এভিয়ারি তৈরির সময় মনে রাখতে হবে যে, খাদ্য ও খাদকের সহাবস্থান একেবারেই বাঞ্ছনীয় নয়। লক্ষ্য রাখতে হবে যে পাখিগুলি উগ্র স্বভাবের তাদের জন্য উপযুক্ত প্রতিবেশী বাছাই করা। এজন্য কোনো খাঁচার মধ্যে একই সঙ্গে একাধিক প্রজাতির পাখির সহাবস্থান সম্ভব কিনা তা জানা দরকার। কিছু পাখি আছে যারা নিজের প্রজাতির একই লিঙ্গের প্রতিদ্বন্দ্বীকেও সহ্য করতে পারে না; পারলেও অন্যান্য পাখিদের প্রতি যথেষ্ট অনুভূতিশীল। এই ধরনের পাখির মধ্যে রাজহাঁস, ফেজেন্ট প্রভৃতি লক্ষ্য করা যায়। 

      বড় খাঁচার মধ্যে প্যারট, ফিঞ্চ জাতীয় পাখিদের রাখলে তারা বেশিরভাগ গাছপালার পাতা ছিঁড়ে ক্ষতি করে। এইসব কারণের জন্য সেখানে প্রায়ই গাছপালা বদলে দেওয়ার দরকার আছে। অনেকদিন ব্যবহারের ফলে গাছের পাতা ও খাঁচার মাটি পাখিদের দেহ নির্গত মল দ্বারা কলুষিত হয়। সেই সময়ই এভিয়ারিটিকে বিশ্রাম দেওয়া উচিত। মাটি কুপিয়ে ফোটানো চুনের গুঁড়ো ভালো করে মিশিয়ে দিলে মাটির অম্লতা কমে যায়।

        এভিয়ারি তৈরির ক্ষেত্রে নান্দনিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এভিয়ারির জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি করে গাছপালা লাগানো বা নির্বাচন করা একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়। বিষাক্ত এবং বেশি কাঁটাবহুল গাছ বর্জন করতে হবে। 

এভিয়ারি বা খাঁচার আনুষঙ্গিক উপকরণ

দাঁড়: খাঁচার পাখি বসার জন্য প্রয়োজন দাঁড়ের। খাঁচায় কমপক্ষে দুটি দাঁড় থাকা আবশ্যক যাতে পাখি একটি দাঁড় থেকে অপর দাঁড়ে গিয়ে বসতে পারে। দাঁড় হল লাঠির মত একটি বস্তু। দাঁড় কখনও নড়বড়ে থাকা চলবে না। এমনভাবে দাঁড় দুটি লাগাতে হবে যাতে মাঝের অংশ দিয়ে পাখিদের উড়ে যেতে অসুবিধা না হয়। প্রসঙ্গক্রমে আরো একটি বিশেষ কথা বলা উচিত - পাখির দোলনা নড়বড়ে হলে অনিষিক্ত ডিম পাড়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। দাঁড় বিশেষভাবে সাহায্য করে পাখিদের আঙ্গুলের ব্যায়ামের জন্য। দাঁড় হওয়া উচিত পাখিটির মুঠির চেয়ে কিছুটা বেশি মোটা ও আরেকটি হবে মুঠির মাপে। অর্থাৎ, কিছুটা সরু। দাঁড় কখনও এক উচ্চতায় লাগানো উচিত নয়। একটু ওপর-নীচ করে লাগানো উচিত। দাঁড় তৈরির জন্য শক্ত কাঠই সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত। 

        অনেকে প্লাস্টিক বা মেটালের দাঁড় ব্যবহার করেন, যা ব্যবহার করা একেবারেই উচিত নয়। এই ধরনের দাঁড় গরমে প্রচণ্ড গরম হয়ে যায় এবং ঠোঁট বাঁকা পাখি যেমন কাকাতুয়া, লাভ বার্ড ইত্যাদি পাখিগুলি প্লাস্টিকের দাঁড় কাটলে তাদের শরীরে বিষক্রিয়া হয়। গাছের ডাল দাঁড় হিসেবে ব্যাবহার করা সবচেয়ে ভালো। যেমন নিম, পেয়ারা ইত্যাদি গাছের ডালকে দাঁড় হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। অবশ্যই গাছের ডালকে ভালোভাবে ডেটল দিয়ে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করে তবেই ব্যবহার করা উচিত। 

      দাঁড়ের পরিধি গোল হওয়া আবশ্যক। তবে এর ত্বকটি হওয়া উচিত অমসৃণ ও রুক্ষ। তবেই এর ঘর্ষণে পাখির নখ স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি ও তার ক্ষয় একই মাত্রায় বজায় থাকে। সেহেতু গাছের ছাল সমেত ডাল দাঁড় হিসেবে ব্যবহার করা আদর্শ। আবার দাঁড়ে কোন ফাটল রাখা চলবে না। থাকলে সেটি পরজীবী পোকাদের আশ্রয়স্থল হয়ে দাঁড়ায়। খাঁচার মধ্যে প্রতিটি দাঁড়কে মেঝের সঙ্গে সমান্তরালভাবে রাখতে হবে। বিভিন্ন উচ্চতায় দুইয়ের অধিক সংখ্যক দাঁড়ও থাকতে পারে। খাঁচায় দাঁড় লাগানো থাকবে প্রস্থের দিকে অর্থাৎ খাঁচার মাপ যদি ২৮" (দৈর্ঘ্য) × ১৮" (প্রস্থ) × ১৮" (উচ্চতা) হয় তবে দাঁড় লাগাতে হবে ১৮" (প্রস্থ) -এর দিকে।

দাঁড়ের মাপ

 পাখি                             ব্যাস

১)কাকাতুয়া বা লাভ বার্ড    ১ ইঞ্চি(২.৫ সেমি)

২) ফিঞ্চ, বেঙ্গলি জাভা,      ১/২ ইঞ্চি             বদ্রি                          (১.২৫ সেমি)

আউটডোর এভিয়ারি গঠন

এমন একটি জায়গা পছন্দ করা দরকার যেখানে দিনের কিছু সময় যেন সূর্যালোক এসে পড়ে। কিন্তু প্রচন্ড রোদ বা তাপ থেকে বাঁচার জন্য গাছের ছায়ার প্রয়োজন। লতানো গাছ বা ছায়াযুক্ত গাছের সাহায্যে সূর্যের আলোর তীব্রতা কমানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। আসল কথা হল একটি অংশকে সবসময় ছায়াবৃত রাখতে হবে যাতে প্রয়োজন মাফিক পাখিরা সেটিকে ব্যবহার করতে পারে। সাধারন এভিয়ারির দুই-তৃতীয়াংশ জায়গা জাল দিয়ে ঘেরা থাকে। এই অংশটি পাখিদের ওড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। যে কারণে এর নাম flight। বাকি এক-তৃতীয়াংশ আলো প্রতিরোধী শক্ত আচ্ছাদনে তিনদিক ও ছাদ ঢাকা রাখতে হবে যাতে পাখিদের নিরাপত্তা বজায় থাকে। সেটি বাসা লাগানোর ও রাতে ঘুমানোর জায়গা। তাই ওই অংশের নাম shelter। জায়গাটুকু যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ কারণ শেল্টারের আয়তনের অনুপাতেই এভিয়ারির পক্ষীসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। 

      এভিয়ারি -এর ঢোকার পথে রাখা উচিত ফ্লাইট অংশ। পাখি যাতে উড়ে চলে না যায় তার জন্য বাইরে একটি কক্ষ জাল ঘেরা অবস্থায় রাখা যেতে পারে। এই কক্ষ বা ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে এভিয়ারির দরজা খুললে পাখি উড়ে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা। 

     শেল্টার অংশের জন্য ইটের গাঁথনি বা কাঠের দেওয়াল থাকা উচিত। তবে তা ধাতু নির্মিত না হওয়াই ভালো। কারণ রোদে এটি বেশি গরম হয়ে যেতে পারে। আবহাওয়ার তীব্রতা থেকে বাঁচতে পাখিরা এখানেই আশ্রয় নেয়। এই কারণে পাখিদের খাবার ও জল দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা উচিত।

      ফ্লাইট অংশের জালের ফাঁকগুলি আধ ইঞ্চির বেশি হওয়া সমীচীন নয়। কারণ নানা রকম খাদ্যের লোভে জালের ফাঁক গলে ইঁদুর ঢুকে পড়ে ও পাখিদের হত্যা করতে পারে। তাদের প্রথম শিকার হয় ডিম ও বাচ্চা। ইঁদুর ও অন্যান্য ছোট প্রাণী যেমন সাপ, বেজি ইত্যাদি প্রাণীদের আটকানোর জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। এভিয়ারির চারিদিকে একটি তিন ফুট প্রস্থবিশিষ্ট শক্ত তারজালকে অর্ধেক অংশ খাড়াভাবে মাটিতে পুঁতে বাকি অর্ধেক অংশ বাইরের দিকে মাটির নিচে বাড়িয়ে দিতে হবে। 

      এভিয়ারিতে অবশ্যই জালে মরচে পড়া প্রতিরোধ করতে হবে। ইট বা কংক্রিট -এর সাহায্যে এভিয়ারি তৈরি করলে সেই গাঁথুনিকেও জালের মত মাটির নিচে কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া দরকার।

     পাখিদের শত্রু অর্থাৎ বিড়াল, খটাশ প্রভৃতি পশুদের রোধ করতে ছাদটিকে বাইরের দিকে এক ফুট বাড়িয়ে ওপরে একটি নাইলনের জালের আবরণ দিয়ে পরিবেষ্টিত করতে হবে। এটি নড়বড়ে জমিতে হওয়া সম্ভব নয়।

     ঘুঘু বা ফেজেন্ট জাতীয় পাখিরা ভয় পেলে সাধারণত সোজা উপর দিকে উড়ে যায়। ফ্লাইট অংশের ছাদটি যেহেতু জালের তৈরি তাই ওই অংশ দিয়ে তারা ওঠার চেষ্টা করে, ফলে মাথায় চোট লেগে মৃত্যুর সম্ভাবনা প্রবল। তাই ফ্লাইট অংশের ছাদের কয়েক ইঞ্চি নিচে নাইলনের জালের একটি বাড়তি সিলিং লাগালে বিপদ থাকবে না। 

      পাখিরা বিশ্রামের জন্য রাত্রিকালীন সময়ে এভিয়ারির উচ্চতম জায়গাটা পছন্দ করে। এজন্য এভিয়ারির ছাদ বাকি অংশের চেয়ে স্পষ্টতই বেশি উঁচু হতে হবে। তবেই পাখিরা শেল্টারে রাত কাটাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে। এছাড়া শেল্টারে লম্বা দাঁড়ের বদলে যতগুলি সম্ভব ছোট দাঁড় রাখলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কম হবে। কারণ ব্যক্তিগত এলাকা সীমাবদ্ধ হবে। 

       ফ্লাইট অংশের গাছপালা ঝোপঝাড় জাতীয় রাখাই ভালো। সেখানে সবল পাখিদের আক্রমণ থেকে বাঁচতে আশ্রয় নিতে পারে দুর্বল পাখিরা। এমন কি সেই অংশকে পাখিরা বাসা হিসেবেও বেছে নিতে পারে। ফ্লাইটের মেঝেতে কিছুটা অংশ ঘাসে ঢাকা হওয়া উচিত। তাহলে পাখিরা নিয়মিত কাঁচা ঘাসের বীজ খুঁটে খাওয়ার সুযোগ পাবে। শিশির ভেজা ঘাসে গড়াগড়ি খেয়ে স্নান করতে ভালোবাসে বেশিরভাগ পাখি। 

       প্যারট জাতীয় বড় পাখি বা অন্যকোনো উগ্র মেজাজি পাখি এভিয়ারির কক্ষে রাখতে হলে জালের পার্টিশনটি যেন ডাবল করা হয়। না হলে তারা কামড়ে পার্টিশনে বসা প্রতিবেশী পাখির পায়ের আঙ্গুল কেটে দিতে পারে। আউটডোর এভিয়ারির মডেল ৬ বা ৮ কোনা করা যেতে পারে। এই ধরনের এভিয়ারি বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। কেন্দ্র থেকে প্রতিটি কোণ বরাবর জালের পার্টিশন লাগিয়ে ৬ বা ৮ টি এভিয়ারি তৈরি করা যায়। যেকোনো একটি এভিয়ারিকে প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহার করে কেন্দ্রস্থলেই আলাদাভাবে শেল্টারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। 

ইনডোর এভিয়ারি

ইনডোর এভিয়ারি তৈরি করা হয় অল্প জায়গার মধ্যে এবং স্বল্প পুঁজির কারণেএর জন্য বাড়ির ছাদ সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান। যাদের পক্ষে ছাদ ব্যবহারের সুযোগ আছে তারা সঠিক ব্যবস্থা পদ্ধতির মাধ্যমে এভিয়ারি তৈরি করে নিতে পারেন। যাদের ছাদে জায়গার অভাব তারা বারান্দা অথবা খোলামেলা জায়গা ব্যবহার করতে পারেন। তবে উত্তরের ঠান্ডা বাতাস, ঝড়ো বাতাসের সমস্যার প্রতিরোধের জন্য স্বচ্ছ প্লাস্টিক বা কাঁচের জানালা দিয়ে ঠান্ডা আটনোর ব্যবস্থা রাখা উচিত। পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো পাওয়া একেবারেই অসম্ভব হলে কৃত্রিম আলোতেও পাখি পালন করা সম্ভব। 

       এই জাতীয় এভিয়ারির একটি সর্বজনপ্রিয় মডেল হলো দুই বা তিন দিকে দেওয়াল ও বাকি অংশ জাল দ্বারা পরিবেষ্টিত। এর ছাদটিকে ঢাকা রাখতে হবে। কোণগুলি ও অন্যান্য অংশ আড়াল করতে বেঁটে,ঝোপ জাতীয় গাছ গুলি আদর্শ। তবে কোনো এভিয়ারিতে কাঁটা গাছ ব্যবহার করা উচিত নয়। কিছুটা খোলা অংশ রাখা আবশ্যক। সেখানে বালি, ঘাস, দু-একটা বড় পাথর ও জলাধার রাখতে থাকবে। 

     এই ধরনের এভিয়ারি তৈরি করার সময় আরেকটি কথা মাথায় রাখতে হবে; পাখিরা ধোঁয়া সহ্য করতে পারে না, তাই এভিয়ারির কাছাকাছি বা নিচে রান্নাঘর বা অন্য কোনো ধোঁওয়ার পরিবেশ সৃষ্টিকারী জায়গা থাকা বাঞ্ছনীয় নয়।

Barbari Dove and Ring Dove

  • English
  • Bengali

This bird is native to East and South Africa, is slightly smaller than pigeon. It's scientific name is Streptopelia copicola and streptopelia risoria. It is 9 1/2 to 10 inches in length. They weigh about 90 - 185 gm. The feathers of the back of their neck are like black collars, that's why they have this name. They can be easily reared and they live about 12 years. 

The body colour of both male and female is brown and the tail is maroon. The lower part is light grey and brown with a purple tinge. The tail is brown and the tip is white. Immature babies do not have black spots on the neck like collars. White and yellow brown nutation is also present. Of which white is popular. The magic bird is the Barbari Dove that magicians actually show. Both male and female sometimes sounds like laughter in a nasal tone. 

Cage: Usually their cage is of 4 inch  length × 2 inch breadth and 3 inch height. There should be a wooden deck or floor below. There must be a head open box or a soil lid or bamboo stump of 9 inch × 9 inch in any part of the cage. Dry grass should be kept inside and outside of the cage.

Reproduction: The male bird is recognised by it's gesture of love proposal and voice. The male bird spread their feathers, bowed their heads and spread their tails to the ground and start humming. After the mating the male collects the household items and the female builds a nest with those material and lays 2-3 eggs.

পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকার অধিবাসী এই পাখিটি পায়রার চেয়ে একটু ছোট আকারের। এদের বিজ্ঞানসম্মত নাম - স্ট্রেপটোপেলিয়া ক্যাপিকোলা (Streptopelia capicola) এবং স্ট্রেপটপেলিয়া রিসোরিয়া (Streptopelia risoria)  এরা লম্বায় ৯ ১/২ ইঞ্চি থেকে ১০ ইঞ্চি এবং ৯০ থেকে ১৮৫ গ্রাম ওজনের হয়। এদের ঘাড়ের পেছনের অংশের পালক কালো রঙের কলারের মতো হয় বলে এদের এই নাম। এদের সহজেই পালন করা যায় এবং প্রায় ১২ বছর বাঁচে। 

স্ত্রী ও পুরুষ উভয়েই দেহের রং বাদামী এবং লেজ খয়েরি রঙের হয়। নিচের অংশ বেগুনি নীল আভা যুক্ত হালকা ধূসর ও বাদামি রঙের। লেজ খয়েরি রঙের ও ডগা সাদা। অপরিণত বাচ্চার ঘাড়ে কলারের মতো কালো রং থাকে না। এছাড়া সাদা ও হলদে বাদামী রঙের নিউটেশন বর্তমান। যার মধ্যে সাদাটি জনপ্রিয়। যাদুকর পায়রা বলে যাদুকরেরা যে পাখি বের করে দেখান সেটি আসলে বারবেরি ডাভ। স্ত্রী ও পুরুষ উভয়েই মাঝে মাঝে নাকি সুরে হাসির মতো আওয়াজ করে। 

বাসা: বাসা সাধারণত ৪ ফুট লম্বা × ২ ফুট চওড়া এবং ৩ ফুট উঁচু হবে। নিচে কাঠের পাটা অথবা মেঝে থাকবে। ৯ ইঞ্চি × ৯ ইঞ্চি একটি মাথা খোলা বাক্স বা একটি মাটির সরা বা বাঁশের চুবরি খাঁচার যেকোনো অংশে দিলেই চলবে। তার মধ্যে এবং নিচে শুকনো ঘাস দিয়ে রাখতে হবে। 


প্রজনন: পুরুষ পাখিকে চেনা যায় তার প্রেম নিবেদন করার ভঙ্গি ও আওয়াজ থেকে। গলা ফুলিয়ে, মাথা নিচু করে, মাটিতে লেজ ছড়িয়ে গুনগুন করে আওয়াজ করতে থাকে পুরুষ পাখি। মিলনের পর পুরুষ বাসার উপকরণ জোগাড় করে আনে এবং স্ত্রী সেই উপকরণ দিয়ে বাসা বানিয়ে ২-৩ টি ডিম পাড়ে। উভয়ে মিলে ডিমে তা দেয়। বাচ্চারা ১৫-১৬ দিনে উড়তে সক্ষম হয়। এরপরেও কিছুদিন তারা মা-বাবার ওপর নির্ভরশীল থাকে। ৫-৬ মাস বয়সে প্রজননের উপযুক্ত হয়।

Bengalese Finch

  • English
  • Bengali

By hearing the word Bengalese Finch, it seems natural that they are probably Bengalis. But it's not like that. They have been domesticated in China, Japan and many other places since ancient times. It originated from Striated munia (Lonchura striata acuticauda) about 300 years ago. It is about 5 inch or 13 cm long. Although the colour of the body is not as attractive as that of the Zebra finch, they do not have a pair. They are appreciated all over the world. Usually thir colours are white and black but now a days maroon, fawn coloured Bengalese Finch are available even Created Bengalese are also seen. 

Identifying characters of male and female: Bengalese chicks are exactly look like their mother and father. There are white spots on both sides at the beginning of the lip. The spots disappear with age. Like love birds they don't have difference between male and female, show the male and female cannot be easily identified. 

Food: Like zebra finch they are generally given a mixture of small canary seed and black seed. It is also necessary to give them rice or wet crumbs with boiled egg, crushed spinach or barb at least 4-5 times in a week to stay them healthy. 

Reproduction: It takes 4 to 5 months to be an adult. Usually they live 5-6 years. Bengalese takes 8-9 months to become perfect. Breathing should be engaged at this age. Bamboo baskets and ideal for them. In the Aviary many pairs can be reproduced together or a single pair can be reproduced in a single cage. It is better to cut grass or coconut husk into small pieces to make a nest in the basket. After making us the female bird lay 6-7 eggs. After 12-13 days the baby hatches out of the eggs. From the first day the male and female both feed the babies and raise them. Within 21-23 days baby comes out from the nest with full feathers. The child is separated after being kept with the parents for 10 to 12 days. Bengalese can live upto 6-7 years. If the chicks are there in the cage, an extra food must be given to them.

বেঙ্গলিজ ফিঞ্চ বা বাংলা কথাটা শুনলে মনে হওয়াটা স্বাভাবিক যে, এরা বোধহয় বাংলার অধিবাসী। কিন্তু তা নয়। প্রাচীনকাল থেকে এদের চীন ও জাপান প্রভৃতি জায়গায় পোষা হয়ে আসছে। প্রায় 300 বছর আগে চিনে হাইব্রিড করে Striated munia (Lonchura striata acuticauda) থেকে এর উৎপত্তি। লম্বায় এটা ৫ ইঞ্চি বা ১৩ সেমি হয়। গায়ের রং জেব্রা ফিঞ্চ এর মত অতটা আকর্ষনীয় না হলেও এদের জুড়ি নেই। সারা পৃথিবী জুড়ে এদের কদর। সাধারণত এদের রং সাদা ও কালো সংমিশ্রণে হলেও বর্তমানে খয়েরী, ফন, এমনকি ঝুঁটিওয়ালা বেঙ্গলিসও দেখতে পাওয়া যায়। 

স্ত্রী ও পুরুষ চেনার উপায়: বাচ্চা বেঙ্গলিসকে একেবারেই মা-বাবার মত দেখতে হয়। ঠোঁটের দুপাশে গোড়ার দিকে সাদা দাগ থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই দাগ মিলিয়ে যায়। লাভ বার্ড -এর মত এদের পুরুষ ও স্ত্রীর মধ্যে বাহ্যিক কোনো পার্থক্য না থাকায় সহজে এদের স্ত্রী-পুরুষ হিসেবে আলাদা করা যায় না।

খাবার: জেব্রা ফিঞ্চ -এর মতো ছোটো কাঁকনীদানার সঙ্গে অল্প পরিমাণে ব্ল্যাক সিড মিশিয়ে দিতে হবে। ছাড়াও সপ্তাহে অন্তত ৪-৫ দিন ভাত বা ভিজে চিঁড়ের সাথে ডিম সিদ্ধ, কুচানো শাক বা বরবটি দিলে এরা ভালো বা সুস্থ থাকে।

প্রজনন: বেঙ্গলিজের বাচ্চা প্রাপ্তবয়স্ক হতে প্রায় ৫-৬ মাস সময় নেয়। সাধারণত এদের গড় আয়ু হয় ৫-৬ বছর। ৮-৯ মাসে বেঙ্গলিজ পুরোপুরি পরিণত হয়। এই বয়সেই প্রজননে লিপ্ত করা উচিত। বাঁশের তৈরি ঝুড়ি এদের বাসার জন্য আদর্শ। এভিয়ারিতে অনেক জোড়া বা ছোট খাঁচায় একজোড়া করে এদের প্রজনন করানো যায়। ঝুড়িতে বাসা বানানোর জন্য ঘাস বা নারকেলের ছোবড়া ছোট ছোট করে কেটে দেওয়া ভালো। বাসা বানানো হয়ে গেলে স্ত্রী পাখি ৬-৭ টা ডিম পাড়ে। বারো (১২) থেকে তেরো (১৩) দিন পর ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। প্রথম দিন থেকেই নর (পুরুষ) ও মাদা (স্ত্রী) পাখি বাচ্চাদের খাইয়ে বড় করে। একুশ (২১) থেকে তেইশ (২৩) দিনের মধ্যে বাচ্চা সম্পূর্ণ পালক নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে আসে। এরপর ১০-১২ দিন মা-বাবার কাছে থাকার পর বাচ্চাকে আলাদা করা যায়। বেঙ্গলিজ প্রায় ৬-৭ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। বাসার মধ্যে বাচ্চা থাকলে বাড়তি খাবার অবশ্যই দিতে হবে।

Bird food and quality

  • English
  • Bengali

Birds are kept as hobby or business purpose. We need to have detailed knowledge about bird food. They survive by eating the food we are given to them. But it is very important for us to know how  their food is acceptable to their body. If you want to raise a healthy, coltish, beautiful bird, you must think about what to feed; why and how to feed them.  

Vitamins and Minerals: Many people tell feed oranges to birds. If it is habituated to all birds, they may eat. Oranges act as electrolytes in summer and winter. It contains a lot of vitamin C. But it is not possible for caged birds to know all this things. Instead that, we need to know why we are giving, whether we are giving it to them. Vitamin C is made in the body of birds, so they do not need to be given from outside. On the contrary, in some cases, such citrus food causes digestive problems in birds. So, this type of food should not be given to them. Those of us who feed birds, have often seen that birds are scattering or playing with food. Those foods contain vitamins or minerals that help them to live a healthy life. There should be two reasons for this - One, they are not accustomed to eating these foods. Two, not all vitamins or minerals are needed in their body at that time. Bird chicks learn from their parents when to eat what kind of food. After leaving the house, their parents feed them for some time and they learn what to eat. But all those birders (bird keepers) unknowingly give all kinds of food to caged birds. Which caged birds do not need. 

Those birds are frightened when they come to some other bird's cage or suddenly get food; they start playing with it. 

We need to think differently for the healthy and beautiful life of those who depend only on us for food. This matter is not based on the human body. Because, birds are different from us in all aspects internally as well as externally.

Food grains: What is usually given to the bird as food - grass grains (kakni or china grains), a little oil seeds (black seeds, sunflower seeds, kusum grains), sea foam and clean water. We hope the birds will stay healthy by eating these food. Fighting with germs and breeding beautifully will give us many colorful, bright and healthy bird chicks. But do we really get what we expect? No.  They didn't get the food they needed. To get everything right, just eating ready-made foods don't fulfill their body's needs. As a result, we can never expect a healthy, beautiful reproductive bird. Birds need protein, carbohydrates and fats along with some vitamins and a few minerals to fulfill their needs. So let's find out what works for the body of the birds and what exactly we can get from it. 

Food quality

What is the use

Protein 

Body growth, feather growth and to maintain the colour of the bird 

Vitamin B complex

For healthy nervous and liver system, body growth and  digestion of food, to maintain muscle function, prevents anemia, increases fertility. 

Vitamin A

Helps in body growth, laying eggs, prevent diseases and helps in reproduction.

Vitamin D 3

Helps in proper utilization of calcium and phosphorus, growth of bones, reproduction

Vitamin E

Helps to promote reproduction. 

 

Minerals

What is the use

Calcium and phosphorus

Helps to increase function of lung, bone growth and reproduction

Potassium and sodium

Helps to promote growth and increase the the function of muscle and reproduction

Magnesium

Promotes  normal growth and reproduction

Chlorine

Helps to keep blood normal

Iodine

Promotes in normal growth

Copper

Helps to increase red blood cells

Ferrous (iron)

Helps to keep red blood cells normal and O2 circulation in blood.

Sulphur

Helps to promote feather growth.

 

Food quality

Where to be found

1) Protein

 

2) Vitamin B complex

a) B 1

Sunflower seed, carrot, Kakani, beans, egg

b) B 2

Egg, Beans

c) Niyasin

Sunflower seed, wheat

d) Vitamin B 6

Sunflower seed, Kusum seed, egg

e) Biotin

Sunflower, beans, Barley, wheat

f) Folic acid

Barley, wheat, spinach, egg, beans

g) B 12

Egg, beans

h) Colin

Sunflower, beans, Kusum seed

3) Vitamin A

Carrot, spinach, egg, corn

4) Vitamin D3

Yolk of egg

5) Vitamin E

Sunflower, Kusum seed, grains

6) Vitamin K

Spinach, Lettuce, carrot, egg

Minerals:

Food quality

Where to be found

Calcium

Sea foam, Egg shel

Phosphorus

Oilseed, grains, egg

Sodium

Salt, carrot, egg, dry spinach, dry carrot

Chlorine

Salt, Carrot, egg, grains, green spinach

Potassium

Oil seed, grains

Magnesium

Oil Seed

Manganese

Egg shell, sea foam, wheat, barley

Iron

Egg shell, sea foam, grains, canary seed

Zinc

Wheat, barley, sunflower

Iodine

Egg

Selenium 

Rice, oil seed, spinach, barley, egg

 

পাখি আমরা সখে বা ব্যবসার জন্য পুষে থাকি। পাখির খাদ্য সম্পর্কে আমাদের বিশদ জ্ঞান থাকা দরকার। আমাদের দেওয়া খাদ্য খেয়েই তারা বেঁচে থাকে। অথচ যা খেতে দেওয়া হচ্ছে তা তাদের শরীরের পক্ষে কতটা গ্রহণযোগ্য তা আমাদের জানা একান্ত জরুরী। সুস্থ, চনমনে, সুন্দর পাখি প্রতিপালন করতে চাইলে অবশ্যই ভাবতে হবে কি খেতে দেবো, কেন এবং কিভাবে খেতে দেবো। 

ভিটামিন ও মিনারেল: অনেকে পাখিকে কমলালেবু খেতে দেওয়ার জন্য বলে।  অভ্যাস করালে সব পাখিই খায়। কমলালেবু ইলেকট্রোলাইটিক -এর কাজ করে গরমে এবং শীতে। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। কিন্তু খাঁচার পাখির পক্ষে এসব জেনে খাওয়া একেবারেই সম্ভব নয়। বরং আমাদের জানতে হবে কেন দিচ্ছি, ঠিক দিচ্ছি কিনা। পাখির শরীরে ভিটামিন সি তৈরি হয়, তাদের বাইরে থেকে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। বরং কিছু ক্ষেত্রে এ ধরনের টক ফল (citrus food) পাখির হজমের গন্ডগোলের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং, এই ধরনের খাদ্য আমাদের দেওয়া উচিত নয়। 

আমরা যারা পাখি পুষি, অনেক সময় দেখেছি কোনো খাবার নিয়ে পাখিরা ছড়াচ্ছে বা খেলা করছে। সেই খাবারের মধ্যেই আছে ভিটামিন বা মিনারেল যা তাদের সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। এর কারণ দুটি হতে পারে। এক, তারা এসব খাবার খেতে অভ্যস্ত নয়। দুই, সেই সময় সমস্ত ভিটামিন বা মিনারেল তাদের শরীরে প্রয়োজন হয় না। পাখির বাচ্চারা তাদের মা-বাবার কাছ থেকে শিখে নেয় কোন খাবার কখন খেতে হবে। বাসা থেকে বেরোবার পর বেশ কিছুদিন তাদের মা-বাবা খাইয়ে দেয় এবং তা দেখে তারা শিখে নেয় কি কি খেতে হবে। কিন্তু যে সমস্ত পক্ষীপালক অজ্ঞতাবশত সবধরনের খাবার খাঁচার পাখিকে দেন। যেগুলো খাঁচার পাখিদের দরকার নেই। সেইসব পাখিরা অন্যের ঘরে এসে বা হঠাৎ খাবার পেলে ভয় পায় অথবা তা নিয়ে খেলা করতে শুরু করে দেয়।

খাদ্যের ব্যাপারে যারা শুধুমাত্র আমাদের ওপরে নির্ভরশীল তাদের সুস্থ সবল সুন্দর জীবনের জন্য আমাদের ভাবতে হবে একেবারে অন্যরকমভাবে। এই ব্যাপারটা মানুষের শরীরের ওপর ভিত্তি করে নয়। কারণ, বাহ্যিক দিক থেকে তো বটেই আভ্যন্তরীণ সমস্ত দিক থেকেও পাখিরা আমাদের থেকে আলাদা। 

খাদ্য দানা: সাধারণত খাদ্য হিসেবে পাখিকে কি কি দেওয়া হয় - ঘাসের দানা (কাকনী বা চিনা দানা), অল্প তৈলবীজ (ব্ল্যাক সিড, সানফ্লাওয়ার সীড, কুসুম দানা), সমুদ্রের ফেনা ও পরিষ্কার জল। আমরা আশা করি এই খাবার খেয়ে পাখিরা সুস্থ থাকবে। রোগ - জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে সুন্দর প্রজনন করে আমাদের উপহার দেবে রঙিন, চনমনে এবং সুস্থ অনেকগুলি পক্ষী শাবক। কিন্তু সত্যিই কি আমরা যা যা আশা করছি তা পাবো? না। সবকিছু ঠিকঠাক হওয়ার জন্য যা যা খাবার তার প্রয়োজন তা সে পায়নি, কেবল তৈরি খাওয়ারগুলি খেয়েই তাদের দেহের চাহিদা পূরণ হয়না। ফলে কোনোমতেই আমরা সুস্থ, সুন্দর প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন পাখি আশা করতে পারি না। 

পাখিদের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাটের সঙ্গে কিছু ভিটামিন ও অল্প মিনারেল। তাহলে জেনে নেওয়া যাক কোনটা শরীরে কি কাজে লাগে ও ঠিক কী থেকে আমরা তা পেতে পারি। 

খাদ্যগুণ

কী কাজে লাগে

প্রোটিন

শারীরিক বৃদ্ধি, পালকের বৃদ্ধি ও রঙ ঠিক রাখতে

ভিটামিন বি কমপ্লেক্স

স্নায়ু ও হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে, লিভার সুস্থ রাখতে, দৈহিক বৃদ্ধি ও খাবার পরিপাকে সাহায্য করে। পেশির কার্যক্ষমতা ঠিক রাখতে। রক্তশূন্যতা রোধে, প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে।

খাদ্যগুণ

কী কাজে লাগে

ভিটামিন এ

শারীরিক বৃদ্ধি, ডিম পারতে, রোগ প্রতিরোধে, প্রজননে সাহায্য করে।

ভিটামিন ডি থ্রি

ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস কে ঠিকমত কাজে লাগাতে, হাড়ের বৃদ্ধিতে, প্রজননে সাহায্য করে।

ভিটামিন ই

পাখির প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

 

মিনারেলস

কি কাজে লাগে

ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস

ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে, হাড়ের বৃদ্ধিতে ও প্রজননে সাহায্য করে।

পটাশিয়াম ও সোডিয়াম

সাধারণ বৃদ্ধি ও পেশীর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

ম্যাগনেসিয়াম

সাধারণ বৃদ্ধিতে ও প্রজননে সাহায্য করে।

ক্লোরিন

রক্ত ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

আয়োডিন

সাধারণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

কপার

লোহিত রক্তকণিকা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

ফেরাস (লোহা)

লোহিত রক্তকণিকা ঠিক রাখতে ও রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ বজায় রাখতে সাহায্য করে।

সালফার

পালকের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।



খাদ্যগুণ

কোথায় পাওয়া যায়

১) প্রোটিন

অয়েল সিড(ব্ল্যাক সিড, কুসুম সানফ্লাওয়ার), ক্যানারি সিড, কাঁকনী, যব, ডিম, গম

২) বি কমপ্লেক্স ভিটামিন :

অ) বি ১

সানফ্লাওয়ার সিড, গাজর, কাকনি, বিনস্, ডিম 

আ) বি ২

ডিম, বিনস্

ই) নিয়াসিন

সানফ্লাওয়ার সিড, গম

ই) বি ৬

সানফ্লাওয়ার সিড, কুসুম, ডিম

উ) বায়োটিন

সানফ্লাওয়ার, যব, বিনস্, গম

ঊ) ফলিক অ্যাসিড

যব, গম, পালং, ডিম, বিনস্

এ) বি ১২

ডিম, বিনস্

ঐ) কোলিন

সানফ্লাওয়ার, বিনস্, কুসুম

৩) ভিটামিন এ

গাজর, পালং, ডিম, ভুট্টা

৪) ভিটামিন ডি ৩

ডিমের কুসুম

৫) ভিটামিন ই

সানফ্লাওয়ার, কুসুম, শস্যদানা

৬) ভিটামিন কে

পালং, লেটুস, গাজর, ডিম

 

মিনারেলস: 

খাদ্যগুণ

কোথায় পাওয়া যায়

ক্যালসিয়াম

সমুদ্রের ফেনা, ডিমের খোসা

ফসফরাস

অয়েলসীড, শস্যদানা, ডিম

সোডিয়াম

নুন, গাজর, ডিম, শুকনো শাক, শুকনো গাজর

ক্লোরিন

নুন, গাজর, ডিম, শষ্যদানা, সবুজ শাক

পটাশিয়াম

অয়েলসিড, শস্যদানা

ম্যাগনেসিয়াম

অয়েল সিড

ম্যাঙ্গানিজ

ডিমের খোসা, সমুদ্রের ফেনা, গম, যব

আয়রন

ডিমের খোসা, সমুদ্রের ফেনা, দানা, ক্যানারি সিড

জিঙ্ক

গম,যব, সানফ্লাওয়ার

আয়োডিন

ডিম

সেলেনিয়াম

ভাত, অয়েলসীড, পালং, যব, ডিম

 

Cart

No products in the cart.

Select the fields to be shown. Others will be hidden. Drag and drop to rearrange the order.
  • Image
  • SKU
  • Rating
  • Price
  • Stock
  • Availability
  • Add to cart
  • Description
  • Content
  • Weight
  • Dimensions
  • Additional information
  • Attributes
  • Custom attributes
  • Custom fields
Click outside to hide the compare bar
Compare
Wishlist 0
Open wishlist page Continue shopping